নিজস্ব প্রতিবেদক
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের নৌবাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি হলেও হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে ইরান। ছোট নৌযান ও দ্রুতগামী বোট ব্যবহার করে মার্কিন বাহিনীকে চাপে রাখছে তেহরান। ‘মশা নৌবহর’ নামে পরিচিত এসব নৌযান লুকিয়ে থাকে আড়ালে।
মশা নৌবহর’ মূলত ছোট, দ্রুতগামী ও ক্ষিপ্র নৌকার একটি বহর, যা জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি)
উপকূলের গোপন কোনো স্থান বা এসব নৌকা থেকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে পারে আইআরজিসি । এগুলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে প্রধান হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
লেবাননে যুদ্ধবিরতি না হওয়া পর্যন্ত প্রণালিটি বন্ধ রাখার অঙ্গীকার করেছিল ইরান। তবে শুক্রবার হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানায় ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আজ শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন।
ইরানের পক্ষ থেকে প্রণালিটি খুলে দেওয়ার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তবে শান্তিচুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ বহাল থাকবে বলে জানান তিনি।
টেনেসি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং গার্ডস বিশেষজ্ঞ সাঈদ গোলকার বলেন, ‘আইআরজিসি নৌবাহিনী সমুদ্রে অনেকটা গেরিলা বাহিনীর মতো কাজ করে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আরআইজিসি বড় যুদ্ধজাহাজ ও চিরাচরিত নৌযুদ্ধের ওপর নির্ভর না করে, তারা অতর্কিত হামলা চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়।